রাস্কিন বন্ড, বই পড়তে যারা ভালোবাসে তারা এই নাম টাকে চেনে না এরকম হতেই পারে না। শুধু ভারতবর্ষ নয় বরং
পৃথিবীর প্রথম ১০ থেকে ২০ জন লেখকের মধ্যে রাস্কিন বন্ড না উল্লেখযোগ্য।
আজকে এই লেখকের একট বই নিয়ে কথা বলবো তোমাদের সাথে।
বইটির নাম “the tunnel”। বইটার গল্প আবর্তিত হয় একটা টানেল কে কেন্দ্র করে। এই গল্পের নায়ক রঞ্জি যে,
তার শহরের একটা রেল টানেল দেখে মুগ্ধ হয়। রঞ্জির সেখানে প্রহরীর সাথে বন্ধুত্ব হয়। যতো দিন যায় তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব আরো গভীর হতে থাকে।
ধীরে ধীরে রঞ্জির তাঁর নতুন বন্ধুর সাথে ঘুড়তে , ওই টানেল দেখতে , টানেল থেকে ট্রেনের গর্জন শুনতে ভালো লাগতে শুরু করে।https://thebookscope.com/%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc/
এই ভাবে ঘুড়তে ঘুড়তে ট্রেন আসার ঠিক আগের মুহূর্তে রঞ্জি টানেলের কাছে আটকা পড়ে, এবং এখান থেকে রোমাঞ্চকর মুহূর্ত নিয়ে গল্পের মূল পর্ব শুরু হয়।
এরপরে raskin bond যেটা তুলে ধরেছেন সেটা হলো কর্ম আর যত্নের একটা শান্ত মুহূর্ত, এবং এর পরে আসে দুই বন্ধুর বন্ধুত্ত্বের বন্ধনের পুননিশ্চয়তা।
এই বই এর নায়ক রঞ্জি খুব কৌতূহলী, সংবেদনশীল, এবং নীরব বিস্ময়ে পরিপূর্ণ এক বালক।
এই বইতে তার প্রকৃতি, এবং সুড়ঙ্গের প্রতি যে আকর্ষণ লেখক দেখিয়েছেন সেটা মূলত তার বৃহত্তর শৈশবের একটা প্রতিফলন।
অন্যদিকে প্রহরী কিশর কে সহানুভূতি ও গভীরতার সাথে তুলে ধরা হয়েছে, যে একাকী, সতর্ক, রঞ্জীর সাহচর্যে, সান্ত্বনা খুজে পায়।
এই গল্প দুটো তাদের জীবনের যৌবন ও অভিজ্ঞতা কে সুন্দর ভাবে বৈপরীত্য করে, তাদের মধ্যে বোঝাপড়া ও স্নেহের সেতু তৈরি করে।
আমার ভালো লাগার কারণ?
সাধারন কাহিনী কে কি ভাবে অসাধারণ কাহিনী তে রুপ দিতে হয় সেটা বন্ড খুব ভালো করে জানে।
তাই এই গল্পে সামান্য একটা রেল সুরঙ্গ শুধুমাত্র সুড়ঙ্গের মধ্যে আবদ্ধ থাকেনি বরং এটি
এডভেঞ্চার, সংযোগ ও জীবনের রহস্যর প্রতীক হয়ে ওঠে। সুরঙ্গের চারপাশে পরিবেশ , নিরবতা, গল্পে জীবন্ত অনুভূত হয়।
ছোট গল্পটি সংবেদনশিল বিবরণ ও ছোট ছোট আবেগ এ পরিপূর্ণ হওয়ায় আট থেকে আশি সব বয়সের মানুষ এর কাছে প্রিয়।
উপসংহার:
রাস্কিন বন্ডের লেখা আগে যারা পড়েছে তারা জানো বন স্মৃতিকাতরতা এবং মানব সম্পর্কে সৌন্দর্যকে সুন্দরভাবে স্থাপন করার ক্ষেত্রে একজন
ওস্তাদ সাহিত্যিক। এই গল্পটি হচ্ছে তার ওস্তাদগিরির আর একটা উদাহরণ কারণ
এই গল্পের মাধ্যমে আমরা দেখতে পাই যে কোন গল্পকে আবেগগতভাবে শক্তিশালী করার জন্য সেটাকে বিশাল আকারে না লিখে, বরং
সহজ শব্দ ও
