আইন কে নতুন ভাবে বোঝার একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ “শেপিং দ জাজেস”-An important book for a new understanding of law”Shaping The judges”

আইন নিয়ে তোমার যদি কোনো ইন্টারেস্ট থাকে বা তুমি যদি law এর স্টুডেন্ট হয়ে থাকে তাহলে এই বই তোমার জন্য

না লে এই বই তোমার খুব একটা ভালো লাগবে না। প্রথমে বলে রাখি এই বই লিখেছেন অরবিন্দ দাতার, প্রবীণ একজন

অধ্যাপক বলরাম কে গুপ্তার সম্মানে। তাই এই বইটাকে আমি নন ফ্রিকশন বইয়ের ক্যাটাগরিতেই রাখবো।

এই বই থেকে তুমি কি কি জানতে পারবে?

এই বই থেকে তুমি জানতে পারবে অধ্যাপক বলরাম কে গুপ্তর জীবন নিয়ে।

অধ্যাপক ডক্টর বলরাম গুপ্তা প্রাথমিক জীবন?

অধ্যাপক ডক্টর বলরাম কে গুপ্ত জন্মগ্রহণ করেন ১৯৪৪ সালে।

১৯৫৬ সালে উনি চন্ডিগড়ে চলে চলে আসেন এবং,

এরপরে ১৯৬৬ সালে তিনি আইনের ডিগ্রী , এবং ১৯৬৮ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন। এবং

এরপরে শিক্ষাগত সাধনার উপর তার আগ্রহ থাকার কারনে তিনি চন্ডিগড় এর পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন এবং

তুমি জানলে অবাক হবে উনি দ্বিতীয় ব্যক্তি যিনি এই ডিগ্রি অর্জন করেছেন ওই ইউনিভার্সিটি থেকে।

ডক্টর ডিগ্রি অর্জন করার পর ওনার জীবন কেমন ছিল ?

১৯৬৯ সালে তিনি আইন এর শিক্ষক হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করে,  এরপরে তিনি তার পাণ্ডিত্য এবং,

শিক্ষাদানের দক্ষতার জন্য শুধুমাত্র নিজের রাজ্যেই নয়, নিজের রাজ্যকে ছাড়িয়ে বরং

Editor Shruti bedi and his book “shaping the judges”

সারাদেশের একাডেমিক মোহলে সুনাম ও খ্যাতি অর্জন করেন। বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট সাংবাদিক এবং

আইন—জীবী তার বক্তৃতায় অংশগ্রহণ করার ফলে পরবর্তী জীবনে গিয়ে সফল আইনজীবী হিসেবে নিজেদের বেঞ্চে,

নিজেদেরকে প্রমাণ করতে পেরেছেন। বলরাম গুপ্তা সর্বকনিষ্ঠ অধ্যাপক হন, এবং

১৯৮৬ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান এর দায়িত্ব পালন করেন। এরপরে ড গুপ্ত ১৯৯১ সালে আবার যাত্রা শুরু করেন এবং

এগারো বছরের কম সময়ে তিনি তার পেশায় দ্রুত উত্থান অর্জন করেন এবং

২০০২ সালে সিনিয়র আইন জীবী হিসেবে মনোনীত হন। এরপরে তার জীবনে এক যুগান্তারী পরিবর্তন আসে, এবং

তিনি ভুপাল এ জাতীয় বিচারক অ্যাকাডেমির পরিচালক এর দায়িত্ব পান। তাকে হাই কোর্ট, জেলা বিচারক দের জন্য

প্রশিক্ষণ কর্মসূচির দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়। শুধু তাই নয় সেমিনার এবং

সিম্পোজিয়াম পরিচালনার চ্যালেঞ্জিং দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর তিনি চন্ডিগড় এ ফিরে আসেন এবং

চন্ডিগড় জুডিশিয়াল একাডেমির পরিচালক হন। এই ভাবে তিনি একজন সফল আইনের শিক্ষক, একজন এডভোকেট, এবং

ভূপাল, চন্ডিগড় এ প্রতিষ্ঠান নির্মাতা হিসেবে একটা সফল মানুষের জীবন যাপন করেছেন। তাই এই বই প্রত্যেক উকিল ও আইনের ছাত্র দের পড়া উচিৎ।https://thebookscope.com/prakash-pariyenkar-new-book-the-bitter-fruit/

এই বইতে কী কী পর্ব আছে?

প্রথম বিভাগে হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের বড় বড়অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদের এবং

আইনের অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের ২৬ টা ছোট বড় প্রবন্ধ রয়েছে। এই প্রবন্ধগুলো একটা চমৎকার মিশ্রণ যাhttps://www.oxfordscholastica.com/blog/law-articles/10-books-every-law-student-should-read/

গুরুত্বপূর্ণ আইনি বিষয়গুলোর সাথে সাথে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রায় লেখার হাস্যরসের ভূমিকা, এবং

সৃজন শীল বিচার করার চিন্তা ভাবনা নিয়েও আলোচনা করে। এই বিস্তৃত বিষয় বস্তু এই বিষয়টিকে অসাধারণ করে তুলেছে, কিন্তু

এই বই এর দ্বিতীয় ভাগ আরো ইন্টারেস্টিং, এখানে সেই শন রয়েছে বিচারক ও শিক্ষা বৃন্দদের শ্রদ্ধাঞ্জলি যারা ডক্টর গুপ্তের সাথে ঘনিষ্ঠ সান্নিধ্য লাভ করেছিলেন এবং

ডক্টর গুপ্তার মেয়ের লেখা একটা প্রবন্ধ থেকে জানতে পারবে উনি কতটা ভালো, নিবেদিতা প্রাণ স্বামী ও বাবা হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেছেন।

তাই প্রত্যেক বিচারক ,উকিল এবং আইন নিয়ে পড়াশোনা করার ছাত্রদের বইয়ের তাকে এই বইটি অবশ্যই থাকা উচিত।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *