ঘোর অমানিশায়:পাঁচ বন্ধু ও একটা মহামারী,ধ্বংস করে দিল সবাইকে
বিশ্বজিৎ ঘোষের লেখা"ঘোর অমানিশায়"

ঘোর অমানিশায়:পাঁচ বন্ধু ও একটা মহামারী,ধ্বংস করে দিল সবাইকে

এই বই এর কাহিনী আর পাঁচটা বইএর মতোই, স্কুল জীবন এর কোচিং থেকে বন্ধুত্ব, তারপর ক্যারিয়ার এর জন্য আলাদা হয়ে যাওয়া, বন্ধুত্ব ছিল অটুট, কিন্তু থাবা বসালো করোনা মহামারি

ঘোর অমানিশায়”পাঁচ বন্ধু ও একটা মহামারী,ধ্বংস করে দিল সবাইকে:

এই গল্প শুরু হয় বিবেক নামের একটা ছেলেকে দিয়ে। যে কামারপুকুরে থাকে।যাকে লোকাল খেলার মাঠে ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলতে দেখা যায়।

সে হুগলির একটা কামারপুকুর ঐতিহ্যপূর্ণ খেলার মাঠে ফুটবল লিগ টুর্নামেন্ট খেলছে। বিবেকের দল যদিও এক গোল পিছিয়ে আছে। বিবেকের বন্ধুরা ঐকতান অনিকেত ও কল্লোল দর্শকদের মধ্যে থেকে বিবেককে মোটিভেট করছে।

যদিও শেষমেশ ট্রাইবেকারে গোল দিয়ে বিবেকের দলই জয়ী হয়, আর বিবেক ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ হয়।

বিবেক এই বইতে খুব কৃতি একজন ছাত্র। সে অবস্থাপণ্য বাড়ির ছেলে তার বাবা একজন বড় ব্যবসায়ী সে তার স্কুল জীবনে ক্লাস ওয়ান থেকে এক থেকে দশের মধ্যে rank করত ,

Two large teal gas/oxygen cylinders stand side-by-side in an urban setting; embedded on the cylinder surfaces are side profiles of a young man and a young woman wearing face masks, looking toward each other.
বিশ্বজিৎ ঘোষের লেখা বই”ঘোর অমানিশায়”

তারপর, বিজ্ঞান শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে সে বর্তমানে neet পরীক্ষায় বসার জন্য কলকাতায় একটা বড় কোচিং এ প্রিপারেশন নিচ্ছে । তার বাবা মা চায় ছেলে বড় হয়ে ডাক্তার হোক ।

এরপরে আমরা বিবেক কে দেখি কলকাতা যাওয়ার জন্য স্টেশন এ অপেক্ষা করতে। সেখানে হঠাৎ করেই তাঁর আলাপ হয় একটা মেয়ের সাথে মেয়েটার নাম চেতনা চংদার।

যে মেয়েটা ওদের স্কুল এর এক মাস্টার মশাই এর ব্যাচ এ কেমিস্ট্রি পড়ত। এখন চেতনা আর ওর দুই বান্ধবী অপরাজিতা আর মধুমিতা বেলঘড়িয়াতে কোচিংয়ে থেকে neet এর প্রিপারেশন নিচ্ছে , এরপরে স্বাভাবিক ছন্দে এই গল্প এগোতে থাকে,

https://thebookscope.com/wp-admin/post.php?post=1420&action=edit

 নিট কোচিং এ গিয়ে বিবেক এর আলাপ হয়,প্রান্তিক, সৃজন , আর সায়নের সঙ্গে। এরপরে সেখানে পড়তে আসে অপরাজিতা, শিপ্রা, আর চেতনা। এরপরে neet পরীক্ষা হল, রেজাল্ট ও বেরিয়ে গেলো।

বিবেক আর প্রান্তিক ভালো রেজাল্ট করে। R g KAR ও কলকাতা মেডিকেল কলেজ এ ডাক্তারি পড়তে গেল। চেতনা, সায়ন, শিপ্রা, সৃজন র‍্যাংক খুব খারাপ হলো। চেতনা পরের বছর আবার পরীক্ষা দেওয়ার জন্যে তৈরি হলো।

শিপ্রা চলে গেলো কলকাতা মেডিকেল কলেজ এ নার্সিং পড়তে, আর সৃজন ইংরেজি ভালোবাসে তাই সে ইংরেজি honours পড়তে গেলো,

ভবিষ্যতে ইটালি তে সাংবাদিকতা পড়তে যেতে চায় সে। সায়নের এর বাবার নিজের rice মিল আছে। তাই সে বাবার ব্যবসা টা সামলাবে, এর পাশাপাশি কলেজ এ ভর্তি হয়ে রাজনীতি তে হাত পাকালো সায়ন।

এদিকে  চেতনা আবার পরের বছর neet পরীক্ষা দিয়ে ডাক্তারি তে চান্স পেলো  কলকাতার R g KAR এ। তবে বিবেকের জুনিয়র হিসেবে।https://en.wikipedia.org/wiki/COVID-19_pandemic

এরপরে গল্প এগোতে থাকে, চেতনা আর বিবেক দু জনেই ডাক্তারি পাশ করে যায়, দিল্লির এমস থেকে সংক্রামক রোগের DM হয়ে বিবেক ট্রপিক্যাল মেডিসিন এ asistent প্রফেসর,

হিসেবে যুক্ত হয়, আর চেতনা ইংল্যান্ডে চলে যায় সেখানে”London School of hygiene and tropical”যোগ দেয়। সেখানে সে গবেষণা করবে,

অন্যদিকে প্রান্তিক মেডিকেল কলেজ থেকে পাশ করে কার্ডিও সার্জেন হয়ে বাইপাস এর ধারে একটা বেসরকারি হাসপাতালে যুক্ত হয়। বিয়ে করে আল্ট্রা মডার্ন এক আমলার বউকে।

অপরাজিতা কে আমরা দেখি বেঙ্গালুরু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাইক্রোবায়োলজি নিয়ে পড়ে সে চায়নার ওহান এ গিয়ে থাকে। এবং সে বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস নিয়ে গবেষণা করে।

আর সৃজন ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে অনার্স পাস করে ইটালি চলে গেছে জার্নালিজম আর মাস কমিউনিকেশন পড়ে একজন সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে।

আর সায়ন পুলিশে চাকরি পরীক্ষা দিয়ে এসপি হয়ে গেছে। আর শিপ্রা কে আমরা দেখি বিএসসি নার্সিং পাস করার পর উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজে নার্স হিসেবে যুক্ত আছে।

“ঘোর অমানিশায়” বন্ধুদের সারপ্রাইজ?

এর পরে আমরা সব বন্ধুদের দেখি একদিন শিপ্রা এর বাড়ি গিয়ে শিপ্রা কে সারপ্রাইজ দিতে। শিপ্রা তো সব বন্ধুকে এক জায়গায় থেকে একেবারে অবাক।

বিশ্বজিৎ ঘোষ এর বই “ঘোর অমানিশায়”

এরপরে তো ওরা সবাই মিলে ডুয়ার্সে ঘুরতে যায় । সন্ধ্যেবেলা জঙ্গলের মধ্যে আড্ডা দিতে দিতে তাদের আলোচনায় উঠে আছে চীনের অর্থনৈতিক অবস্থা। যেহেতু অপরাজিতা বর্তমানে,

চিনে থাকে তাই চীন কি করে এত অগ্রগতি করল লাস্ট ৩০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে সেই সবই হয়ে ওঠে ওদের আলোচনার মুখ্য বিষয়।

এইভাবে গল্প করতে করতেই ট্যুর টা ভালো এনজয় করে ওরা। এই দেখতে দেখতে ট্যুর টা শেষ হয়ে যায়। ট্যুর শেষ হলেই ওরা সবাই যে যার কর্ম ক্ষেত্রে ফিরে যায়।

ঘোর অমানিশায় ও মহামারির প্রকোপ?

অপরাজিতা –  আমরা বিবেক কে দেখতে পাই videocall এর মাধ্যমে চীনে virology নিয়ে পড়তে থাকা অপরাজিতা এর সাথে কথা বলতে থাকে। তখন ই অপরাজিতা বিবেক কে,

সেই ভয়ানক সার্স ভাইরাস নিয়ে কথা বলে। অপরাজিতা উহান যে ভাইরোলজি ল্যাব এ কাজ করে সেখান এর চিফ প্রোফেসর dr lee,

নাকি অনেক আগেই সতর্ক করেছিল চীন সরকার কে এই রকম একটা ভাইরাস নিয়ে। ইতিমধ্যে উহান এর হাসপাতালে বেশ কিছু রোগী ভর্তি হয়েছে।

ডাক্তার ও নার্সরা ঝাঁপিয়ে পড়ে সুস্থ করার চেষ্টা করছে।চীন সরকার স্রেফ ভুয়ো বলে উড়িয়ে দেয়, এমন কি ওই প্রোফেসর dr lee কে warning দেয় চিন সরকার ,

যাতে কোন রকম ভুয়ো খবর না ছড়ায়। কিন্তু সত্যি চাপা থাকেনা, হু হু করে সার্স ভাইরাস চীনে ছড়িয়ে পড়ে। চীন সরকার পরে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পাড়ার খবর মেনে নেয়

সানি-আমরা পরিচিত এই সানি বলে একটা নতুন ছেলের সাথে। সে তার গ্রামে একটা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করছে।

সেই স্বাস্থ্য কেন্দ্রের অমলেশ দা সানিকে কলকাতার সেরা কিছু ডক্টরের লিস্ট দিয়েছে যারা ওই স্বাস্থ্য কেন্দ্রের জন্য বিনামূল্যে ওষুধ দেবে সেই জন্যই আজকে সানি এসেছে dr বিবেক এর সাথে দেখা করতে।

যদিও dr বিবেক সবটা শুনে রাজি হয়ে যায় এবং সানি কে কয়েকটা ফ্রী sampel ও দেয়।ওদের সেই স্বাস্থ্য কেন্দ্রের জন্য। বিবেক ঠিক করেছে ওর বন্ধু প্রান্তিক এর মত কয়েকটা বিশেষজ্ঞ ডাক্তার কে নিয়ে আজকে ওদের ফ্ল্যাটে এই মহামারি নিয়ে আলোচনা করবে,

তাই জন্য ও সানিকে ওর কাছে থাকা কয়েকটা ফ্রি ওষুধ স্যাম্পল দিয়ে বাড়ি আসার জন্য রেডি হয়। বাড়ি এসে বিবেক আলোচনায় বসে প্রান্তিক আর অন্য সব ডাক্তারদের সাথে।

সেখানে উঠে আসে পৃথিবীর ইতিহাসে ঘটে যাওয়া মহামারীর কথা। যেমন প্লেগ। প্লেগ কিভাবে পুরো ইউরোপ কে কাপিয়ে দিয়েছিল, আর কেনই বা যে কোনো মহামারি হলে 40 দিন কোয়ারেন্টিন এ থাকতে হয়।

সৃজন  এরপরে আমরা সৃজন কে দেখতে পাই ইটালিতে যে ইতিমধ্যে সাংবাদিকতা পাশ করে লোকাল একটা সংবাদ সংস্থা কাজ করছে। এবং তার বান্ধবীও হয়েছে।

ইতালির একটা মেয়ের সাথেই প্রেমে লিপ্ত ও।নিজের কাজের জন্য ইতালির কোণায় কোণায় ঘুরে বেড়াতে হচ্ছে ওকে

গল্প যত এগোতে থাকে আমরা গল্পের বাকি চরিত্র গুলো কে দেখতে পাই, যেমন শিপ্রা কে দেখি। সে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একজন সিস্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে ব্যস্ত।

একদিন তারবাড়িতে এক অপরিচিত ব্যক্তি, আশ্রয় নেয়, তার সাথে প্রেম না হলেও একটা ছোট কেমিস্ট্রি লেখক এখানে দেখায়, যেটা আমার খুব একটা ভালো লাগেনি।

এরই মধ্যে সেই করোনা virus এ আক্রান্ত হয় অপরাজিতা। ততদিনে কলকাতা সহ গোটা বিশ্ব করোনা থাবা বসিয়েছে।

যদিও এরপরে অপরাজিতা করোনা পজিটিভ হওয়ার কথা জানতে পারি। যেটা নিয়ে বিবেক আলোচনা করে প্রথমে ওর প্রেমিকা চেতনা এর সাথে।

যে করোনা এর ভ্যাকসিন নিয়ে গবেষণা করছে। তারপর অপরাজিতা এর কথা বিবেক এক এক করে সবার সাথে শেয়ার করে। প্রিয় বন্ধুর শরীর খারাপ নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন।

এরপরে আমরা দেখি করোনা আসতে আসতে গোটা ভারতে ছড়িয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যে lockdown লাগু হয়েগেছে গোটা দেশে।

এদিকে চীনে করোনা তে আক্রান্ত অপরাজিতার অবস্থা আরো খারাপ হয়। করোনাতে আক্রান্ত হয়ে icu তে admit হয়। বিবেক এই খবর ওর বাকি সব বন্ধু দের জানায়। তারাও খুব চিন্তিত হয়ে ওঠে।

সৃজন বিবেক কে বলে ইটালির অবস্থাও খুব খারাপ। চারিদিকে মাস্ক আর স্যানিটাইজার এর আকাল, ওদের সাংবাদিক রাও আক্রান্ত হচ্ছে। পুলিশ এর চাকরি করা সায়ন ও করোনা duty করতে ব্যস্ত ও ক্লান্ত। পরিবার এর সাথে সাবধানে মেলামেশা করতে হচ্ছে ওকে।

মৃত্যু – এরপরে আসে সেই দিন যেদিন অপরাজিতা করোনা তে আক্রান্ত হয় মারা যায়, প্রিয় বন্ধুর মৃত্যু ওদের পুরো বন্ধুর গ্রুপ টাকে নাড়িয়ে দেয়। এরপরে ইটালি তে করোনা তে আক্রান্ত হয়ে মারা যায় সৃজন।

কলকাতার একটা জায়গায় করোনা এর ত্রাণ নিয়ে গণ্ডগোল বাধার জন্য সেখানে নিজের ডিউটি পালন করতে গিয়ে গুরুতর জখম হয় সায়ন। ইতিমধ্যে বিবেক এর কাছে ইতালি তে সায়ন এর মৃত্যুরও খবর আসে।

এরই মধ্যে চেতনা জানায় করোনার প্রথম ভ্যাকসিন ইতিমধ্যে একজন ব্রিটিশ মহিলার শরীরে দেয়া হয়েছে।

প্রান্তিক একটা হার্টের অপারেশন করতে গিয়ে ভুল হওয়ার কারণে তার ডাক্তারি ডিগ্রি হারায়। আমরা এরপর শিপ্রা কেও,

মরে যেতে দেখি, যে করোনার মধ্যে একজন সরকারি হাসপাতালে নার্স হয়ে নিজের ডিউটি পালন করছিল।

আর বইয়ের একদম অন্তিম পর্যায়ে আমরা দেখতে পাই সংক্রামক  রোগের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার হওয়ার জন্য  বিবেক ও এই করোনাতেই ডিউটি ,

করতে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে covid এ মারা যায়। যে সময় তার প্রেমিকা চেতনা ইংল্যান্ডে ছিল। নিজের প্রেমিকের মৃত্যুর খবর শুনে চেতনা কিছুই করতে

ইংল্যান্ডে নিজের ঘরের মধ্যে একদম মানসিক অবসাদের ডুবে যায় চেতনা। ইংল্যান্ডের যে মেডিকেল কলেজে ও রিচার্জ করছিল সেখান থেকেও যেন মুখ ফুরিয়ে নেয় ও ।

সেখানে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। এরপরে ওর ব্রিটিশ colluge ওরফে বন্ধুর ভরসায় ও আবার ফিরে আসে।

এই বই নিয়ে আমার মতামত?

এক কথায় যদি বলি এই বই একদম বোরিং একটা বই। মাত্র 2 টো থেকে তিনটে বাক্যে এই বই এর গোটা summery লিখে ফেলা যায়। পড়ার কোচিন থেকে শুরু হওয়া,

বন্ধুত্ব, এরপর ক্যারিয়ারে জন্য আলাদা হয়ে যাওয়া , তারপর করোনা এর মতো একটা মহামরি আছড়ে পড়লো তাঁদের জীবনে,

বিবেক, সায়ন, অপরাজিতা, শিপ্রা একে একে চলে গেলো করোনা এর গ্রাসে আর শুধু পরে থাকলো চেতনা।

পুরো বইটা এই কয়েকটা লাইনে সীমাবদ্ধ করে দিলাম।

“ঘোর অমানিশায়”আমি কেনো কিনেছিলাম?

আমি এই বইটা কিনে ছিলাম বই এর প্রস্তছেদ দেখে। যেখানে একটা অক্সিজেন সিলিন্ডার এর গায়ে মুখে কালো মাস্ক পড়া একটা ছেলে আর মেয়ের ছবি।

আমি প্রথমে বই এর প্রস্তচ্ছেদ দেখে একদম আলাদা কোন গল্প ভেবেছিলাম,  ভেবেছিলাম কোন সাইন্স ফিকশন বই হবে কিন্তু

বইটা পড়ার পর আমি সত্যিই হতাশ হয়েছি, সাদামাটা একটা গল্প, যার শেষটা হয়তো আমরা অনেকেই আগে থেকে ধারণা করতে পারি।

ঘোর অমানিশায় নাম টা কতটা যুক্তিযুক্ত?

অমানিশায় প্রচার বাংলা অর্থ করলে দাঁড়ায় অমাবস্যা রাত্রি বা চাঁদ হিন অন্ধকার রাত। আর তুমি যদি আর বাংলা,

রূপক অর্থ দেখো তাহলে দেখবে অর্থ দাঁড়ায় জীবনের গভীর সংকট দুঃখের কাল রাত্রি বা অজ্ঞতার রাত।

গল্পে আমরা দেখি পাঁচ বন্ধুর জীবনেই করোনার মত মহামারী এক গভীর সংকটের মুখে দাঁড় করায়। করোনা এর সাথে লড়তে লড়তে তিন বন্ধু প্রাণ হারায়।

আর বাকি দুই বন্ধুর জীবনও পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায়। তো লেখক কাহিনীর সাথে মিল রেখেই যে তার উপন্যাস এর নাম রেখেছেন তা বলাই যায়।

আমার এই কাহিনীটা বড্ড সাদামাটা লেগেছে। খুব একটা আহামরি গল্প এটা না, সময় কাটানোর জন্য একবার পড়তেই পারো।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *