আমার ব্লগ এ তোমাদের সবাই কে স্বাগত। আজকে কথা বলব prakash pariyenkar এর বই “The Bitter Fruit Tree” নিয়ে।
দেখো আমার পড়া এটা এই লেখকের প্রথম বই। তাই যদি ভূল ভ্রান্তি হয়ে থাকে তাহলে আমাকে ক্ষমা করে দিও।
তাহলে চলো আজকে এই বই নিয়ে আলোচনা শুরু করা যাক।
“The Bitter Fruit tree ” বই এর রিভিও? ,
এই বইতে উত্তর পূর্ব গোয়ার একটা বনাঞ্চল “সাত্তারির” উপর ভিত্তি করে তেরোটা গল্প লেখা হয়েছে। এই গল্প গুলো
গ্রামীন জীবন,পরিবেশ গত চ্যালেঞ্জ, এবং গভির ভাবে প্রোথিত সংস্কৃতি কে একত্রিত করে। অনেক গলপো এই বইতে
দশেরা, এবং হলির মত উৎসবের পটভূমিতে উন্মোচিত হয়, যেটা নিম্ন বর্ণের বহিরাগত দের এবং জনতার
উগ্রদিকে ভুল দিকে ধরা পড়া দের সংগ্রাম কে স্পষ্ট ভাবে চিত্রিত করে
যা প্রায়শই দুঃখজনক পরিণতির দিকে পরিচালিত করে।
“দ্য বিটার ফ্রুট ট্রি” বই এর নামের সাথে মিল রেখেই গল্প শুরু হয় , যা পাঠক কে গভীর তিক্ততার জগতে ডুবিয়ে দেয় ,
“the Bitter Fruit tree” বই এর শিরোনাম দিয়ে গল্প শুরু হয় যা পাঠক কে গভীর তিক্ততার মধ্যে ডুবিয়ে রাখে।
গ্রামের নিম্ন বর্ণের ড্রামার তিয়ালগী এক অসম্ভব সমস্যার সম্মূখীন হন। অস্বতিকর ভাবে দশেরার দিন তার স্ত্রী মারা যায় এবং
এর জন্য গ্রামের অনুষ্ঠানে তিয়াল্গি আর অংশগ্রহন করতে পারে না,
তাকে তাঁর ঐতিহ্য অনুসারে স্ত্রী কে কবর দিতে হয় কিন্তু ড্রামার দায়িত্ব পালনের জন্য কোনো পুত্র না থাকায় তাকে,
গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়। তিয়োলগি গ্রামের মানুষ দের অনুরোধ করে যে তার স্ত্রী কে যেন সেই গ্রামেই কোথাও কবর দেওয়া যায়, কিন্তু
গ্রামের মানুষ রা তিয়োল্গি কে নদী পেরিয়ে তিক্ত ফলের গাছের গোড়ায় জায়গার কথা বলে, যেটা একটা সরকারি জমিতে অবস্থিত।https://thebookscope.com/%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%9f%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%87-%e0%a6%a4%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f/
সরল এবং গভীর ভাবে বিদ্রুপাত্মক এই গল্পটি দরিদ্রের দূর্দশা নিখুঁতভাবে তুলে ধরে, যাদের তীব্র শখের মুখে কোন প্রতিকার নেই
গল্পের শিরোনামের নামের মতই গল্পের চরিত্রগুলোর জীবন গভীরভাবে তিক্ত। বন্যা যেমন পরিশ্রমের ফসল ভাসিয়ে নিয়ে যায়,
ঠিক যেমন অন্যদের জন্য জমির পরিষ্কারকারী লোকেরা তাদের কোমর ভাঙ্গা পরিশ্রমের পর কিছু পুরস্কার পাওয়ার আশা করে।
লেখক এর কথায় অধৈর্য্যতা আমাদেরকে খারাপ রীতিনীতির দিকে পরিচালিত করতে পারে, যেমন এই গল্পে দেখা যায়,
মালিকের অনুমতি না নিয়েই একটা ছোট আমগাছ কেটে ফেলে লাভের সম্ভাবনা নষ্ট করে ফেলায় এবং শেষ পর্যন্ত সেটা একটা বড় ট্রাজেডিতে পরিণত হয়।
লেখক এই বইতে মূলত কৃষক এবং তাদের স্ত্রীরা যারা মাঠে গবাদি পশু ছড়িয়ে জীবিকা নির্বাহ করে তাদেরকে ঘিরেই আবর্তিত হয়েছে।
এরা মূলত জমি ও গবাদি পশু থেকেই জীবিকা নির্বাহের জন্য প্রতিদিন সংগ্রাম করে। এদের আকাঙ্ক্ষা খুবই সাদাসিদে,
সাধারণত পুত্রের আকাঙ্ক্ষা এর পাশে আবর্তিত হয়, আর গবাদি পশুর মালিকদের ক্ষেত্রে দুধ বিক্রির জন্য একটা বাছুর।
এই বইতে গ্রামের প্রান্তে বসবাস করা এমন কিছু লোকের কথা বলা হয়েছে যারা ভোঁদড় এর জন্য হাত পাতে কিংবা
বানর স্বীকার করার জন্য গাছে ঘর তৈরি করে। কালো চামড়ার এই চন্ডাল দের তাদেরকে সাধারণ মানুষ অবজ্ঞার চোখে দেখা হয় এবং
ডাকা হয়, তারা দড়ি বা তীর ধনুক ব্যবহারে পারদর্শী যা মাঝে মাঝে ডিএইচ লরেন্সের মোড়কে চান্দ্রেই এর মত মহিলাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে,
যারা মূলত মাতাল ও নির্যাতনকারী স্বামীর দ্বারা আক্রান্ত।
আমার কেমন লাগলো বইটা পড়ে?
দেখো সত্যি কথা বলতে এই লেখকের উপরে এটা আমার প্রথম বই। তাই বলবো, আমার গল্পটা ঠিকঠাক লেগেছে হ্যাঁ যারা,
যারা থ্রিলার গল্প প্রেমের গল্প রোমান্টিক উপন্যাস করতে ভালোবাসে তাদের কিন্তু,
এই বই পড়তে ভালো লাগবে না, তুমি যদি একটু অন্য ধরনের পাঠক হয়ে থাকো আর যদি তোমার সব ধরনের বই পড়তে ভালো লাগে
তবেই তুমি এই বইটা পড়তে পারো।

