The Menon Investigation Book বই তে পিতৃতন্ত্রকেই লেখিকা এক কথায় খলনায়ক হিসেবে তুলে ধরেছেন। এবং সেই জিনিসটা বেশ জোর দিয়েই তিনি তার বইতে বলেছেন।
Welcome to “The Mennon investigation book”?
তার বইতে তিনি সরাসরি পাঠকদের এটাও বলেছেন পুরুষরা এটা মেনে না নিল এটাই বাস্তব। কারণ পিতৃতন্ত্র মানে আমরা বুঝি এমন একটা
সামাজিক , সাংস্কৃতিক ব্যবস্থা যেখানে পরিবারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ,সম্পত্তির অধিকার,সামাজিক মর্যাদা,রাজনৈতিক,
https://www.penguin.co.in/book/the-menon-investigation/
এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্র বিন্দুতে একজন পুরুষ অবস্থান করে। কিন্তু এই পিতৃতন্ত্র কে উপন্যাসই অপরাধ আঙ্গিকে সাজানো কতটা যুক্তি যুক্ত।
আমার তো মনে হয় সবথেকে বুদ্ধিদীপ্ত মানুষটাও এখানে এসে হোঁচট খাবে। ভারতীয় সমাজের সমস্ত ভন্ডামিকে লেজার দৃষ্টির মত ভেদ করে সমস্যার মূলে ,
পৌঁছানোর যে ক্ষমতা লেখিকা সাহারু নুসাইবা দেখিয়েছেন তা এক কথায় অনবদ্য, অসাধারণ এর থেকেও বেশি কিছু।”The mennon investigation” বই এর শিরোনাম তোমার সুনির্দিষ্ট মনে হতে পারে ,
https://thebookscope.com/agatha-christie-most-famous-detective-novelist/
আদতে এটি একটি গভীর অর্থবহতা যেটা আমাদের বলে যে যে পুলিশ কর্তা সেই অমীমাংসিত মামলার তদন্ত কারী আফিসার হিসেবে নিযুক্ত,
তার মানসিকতার ভিতরে ডুব দিয়ে যে সমাজ তাকে তৈরি করেছে সেই সমাজের ভিতরে প্রবেশ করে , এই উপন্যাস ক
ইমন একটা উপন্যাস তৈরি করেছে যে তার পাঠক দের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকেও জড়া ফিকশনের সীমানাকে প্রসারিত করে।
The mennon investigation book main charecter?
আমরা এই বইতে পরিচিত হই প্রথম এনকাউন্টার IG মেনন এর সাথে যে অনুসন্ধান করতে ব্যাস্ত কি ভাবে একটা ছোটো নীল ট্যাবলেট তার স্ত্রী কে,
অসুস্থ করতে পারে, সেটা নিয়ে forensic surgeon Padmini menon এর সাথে। এর পরে আমরা দেখতে পাই আট বছর আগে কান্নার মোজেস নামে একজন
পুলিশ কর্মকর্তা কে কোজিকোডের কাছের একটি সৈকতে গুলি করে , ছুরি দিয়ে মেরে তারপর পুড়িয়ে হত্যা করা হয়।
এই হত্যাকাণ্ডের প্রাথমিক তদন্ত কোন দিকেই হয়নি, এতদিন পর এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তের দায়িত্ব Menon কে দেওয়া হয় । ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব আফিসার menon কে দেওয়া,
হলেও উনি জানেন না এর পিছনে কিছু শর্তও জুড়ে দেয়া হয়েছে। সে জানতো এইরকম পুরনো কেসের তদন্ত করা বেশ কঠিন কাজ কারণ ,
এই ক্ষেত্রে পুরনো তদন্তকারীদের এই তদন্ত করতে হয় , আর মামলাটির সমাধান করে পুরনো তদন্তকারীদের অযোগ্যতা প্রমাণ করতে হয়।
আর এইসব করতে গিয়ে এমন একটা দরজার সামনে এসে তোমায় দাঁড়াতে হয় যে দরজায় ধাক্কা দেওয়ার সাহস তোমার নেই।
কারণ তুমি জানো এর শেষ ফলটা খুবই তেতো আর অপমানজনক হতে চলেছে।
The mennon investigation বই এর ভালো দিক?
কী ভাবে আফিসার মেনন এই দুই দিক উপন্যাস কে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন সেটা সত্যিই পড়ার মতো। তবে আমার অদ্ভূত যেটা লেগছে সেটা হলো
কান্নানারী অপরাধ চক্রী একজনের দিকে মনোযোগ ঘুরিয়ে লেখিকা আমাদের দেখালেন যে, তারা দুজন – যার মধ্যে আছে সেই নিহত পুলিশ আফিসার মোজেসও- এক নির্মম
জাতিভেদ প্রথায় জর্জরিত পিতৃতন্ত্র এর স্বীকার। সাধারণত কোনো বইতে পূরুষ প্রধান চরিত্র দের এই ভাবে তুলে ধরা যে কোনো লেখিকা এর
এর পক্ষে বেশ কঠিন কাজ কিন্তু সাহারু নুসাইবার কেরালা ও ভারতের সমাজ ব্যাবস্থা সম্পর্কে গভীর জ্ঞান থাকার জন্য এমন,
ভাবে তিক্ত নৈরাশ্যবাদের মধ্যে দিয়ে তুলে ধরেছেন যে যা পাঠকে সত্য ও ন্যায্য বলে ধরে নিতে হবে। এক জ্ঞানী ব্যক্তি একবার বলেছিলেন কোনো জাতিকে জানতে হলে,
তার অপরাধ মুলক গল্প কাহিনী কে একবার পড়ে ফেলুন। এই বই যেন এই জ্ঞানী মানুষ এর কথা টাকেই সত্য প্রমান করে।
The mennon investigation এই বই এর নেগেটিভ দিক ?
আমার যদি কোনো আপত্তি থাকে এই বই নিয়ে সেটা হলো “Tharooism”বাংলায় থারুরবাদ, যেটা তাকে সব থেকে বেশি প্রীড়িত করেছে। এছাড়াও লেখিকা যথেষ্ট বড় বড় শব্দের প্রতি বিশেষ অনুরাগ দেখিয়েছেন।
এছাড়াও উপন্যাসে rofus mumu ও biweekly titivation(সাজগোজ করা ) এর মত শব্দ ব্যাবহার অপ্রীতিকর লেগেছে।
দ্বিতীয় আপত্তি হলো পদ্মিনী মেনোন কে শোচনীয় ভাবে কম ব্যবহার করা নিয়ে, তবে আশা করা যায় বিজয় মেনন এর জীবন কাহিনী পরবর্তী পর্বগুলো
এই বইয়ের গল্পের থেকেও তিনি আরো বেশি সুযোগ পাবেন। তবে অবশ্যই যদি মামলার রায়ের মধ্যে তার ক্যারিয়ারকে গুলি করে ছুরি মেরে ও পুড়িয়ে হত্যা করা হয়।।